সরকারের তৃতীয় মেয়াদে নোয়াখালীতে সমুদ্রবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা

noakhali,port,residential hotel in noakhali,noakhali sadar,noakhali voice,noakhali vs borishal,hatia noakhali,noakhali funny,noakhali royal district,noakhali vs barishal,hotel in noakhali,noakha,noakhali vs english,barisal vs noakhali,barisal vs noakhali song,noakhali city boro masjid moar,comilla port,come from nowakhali,land port,noakhali vs barisal bangla talkies,noakhali to chittagong bypass road

মোঃ তাওহীদুল হক চৌধুরী - নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালী জেলার আরো সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন

সরকারের তৃতীয় মেয়াদের মধ্যেই নোয়াখালীতে সমুদ্রবন্দর নির্মাণ শেষ করতে চায় আওয়ামীলীগ। দলের ভাবমূর্তির বৃদ্ধি নয় বরং দেশের তথা সর্বপুরি নোয়াখালীর উন্নয়নে এই পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে চায় বর্তমান আওয়ামীলগ সরকার। এমনি অভিমত ব্যক্ত করেছেন সরকারের নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রি খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। কাঙ্খিত এই বন্দরটি নির্মিত হবে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলা ভাটিতে ও চট্টগ্রামে সন্ধীপের উড়ির চরের উজানে বঙ্গোপসাগরের চ্যানেলে। এই নৌবন্দরটি চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর থেকে চাপ অনেকটা কমবে বলে ধারণা করছেন এই প্রতিমন্ত্রী। এরই মাঝে সরকারের নতুন মেয়াদে নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য জননেতা একরামূর করিম চৌধুরী নোয়াখালীতে নৌবন্দর স্থাপনের বিষয়ে একটি ডিও (আধা সরকারি পত্র) লেটার সরকারকে দিয়েছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।
গত বৃহস্পতিবার বিকালে মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয়ে বাংলা ট্রিবিউনের দেয়া এক সাক্ষাতকারে নোয়াখালীতে সমুদ্রবন্দর স্থাপনের পরিকল্পনার বিষয়টি তিনি জানান। এসময় তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন নোয়াখালীতে বন্দর করা হলে ঢাকার পানগাঁও কন্টেইনার টার্মিনাল আরও গতিশীল হবে এবং চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমবে। সমুদ্রবন্দর নির্মাণ পরিকল্পনার নেপথ্যের কারণ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নোয়াখালী একটি অর্থনৈতিক শিল্পাঞ্চল। এ অঞ্চলে একটি বিমানবন্দর করারও পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ জন্য আগেই জায়গা চূড়ান্ত করা আছে। আর এখানে সমুদ্রের যেহেতু চ্যানেল রয়েছে তাই বন্দর করা গেলে এই অঞ্চলটি অর্থনৈতিকভাবে আরো সমৃদ্ধিশীল হবে। বিগত সময়ে সরকারের উন্নয়নের কথা তুলে ধরে মন্ত্রি বলেন, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দিকে আগে বিগত সরকার কোন দৃষ্টি দেয়নি, যতটুকু উন্নয়ন হয়েছে তা হয়েছে বিগত ১০ বছরে এই সরকারের আমলে। 
স্বাধীনতার পর যেখানে বাংলাদেশের ২৪ হাজার কিলোমিটার নদী পথ ছিল, তা ক্রমান্বয়ে কমে ৪ হাজার কিলোমিটারে নেমে এসেছিল। কিন্তু গত ১০ বছরে এটি কমেনি বরং  প্রায় দুই হাজার কিলোমিটারের কাছাকাছি নৌপথ বেড়েছে। নৌযান ক্রয়,  নৌপথ সচল রাখতে ড্রেজিংসহ নৌখাতের উন্নয়নে এই ১০ বছরে অনেক কিছুই হয়েছে। বর্তমানে বেশ কিছু চলমান প্রকল্প রয়েছে। পাশাপাশি এবারের নির্বাচনে ইশতেহারেও নৌখাতের উন্নয়নে কিছু পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশের নদী পথের গুরুত্বের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রি বলেন, ভৌগোলিক কারণে আমরা ইস্টওয়েস্টের মাঝখানে আছি। নৌবন্দরগুলোর সক্ষমতা আমরা আরো বাড়াতে পারলে জাতীয় অর্থনীতিতে আমাদের নৌবন্দরগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে।

SHARE THIS

0 Comments:

মতামতের জন্য ধন্যবাদ।