দুর্গাপুরে অবৈধভাবে যত্রতত্র বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল-ডিজেল ও এলপিগ্যাস সিলিন্ডার

social video,bangla social video,comedy videos 2019,social eye সমাজের চোখ,bangla comedy video 2018,bangla comedy,funny video 2019,bangla funny video,sei rokon panikhor,bangla comedy video,pani khor,bangla fun,bangla funny koutok 2018,funny world,funny video,bangla funny prank,bangla funny natok,funny bangla,শর্টফিল্ম পানিখোর

রাজিব চৌধুরী - দুর্গাপুর ( নেত্রকোনা ) প্রতিনিধি

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সর্বত্র হাটবাজরে সরকারী নীতিমালার কোন তোয়াক্ষা না করে অবৈধভাবে যত্রতত্র প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল-ডিজেল ও এলপিগ্যাস সিলিন্ডার। উপজেলার ছোটবড় হাটবাজারে রাস্তার উপর,রাস্তার মোড়,মহা সড়কের পাশে,কোন কোন দোকানের সামনে,বাড়ান্দায়, রেস্টোরেন্ট,ফার্নিচার,ঔষধের,কসমেটিক দোকানের সামনে,ইলেট্রনিক্স দোকানের  সামনে, ফুটপাত, ঘনবসতি, বিভিন্ন দোকানের সামনে ও জনাকীর্ণ এলাকায় যততত্র গ্যাস সিলিন্ডার, পেট্রোল ১/২ লিটার বোতল ভর্তি করে টেবিলের উপর পরসা সাজিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখে বিক্রি করা হচ্ছে দেদারে। হাট-বাজার গুলিহচ্ছে ঝানজাইল বাজার, কালা মার্কেট, কৃঞ্চেরচর, উৎরাইল, বিরিশিরি, কুমুদগঞ্জ, কাপাসাটিয়া, গুজিরকোনা, বড়বাট্রা মোড়, ডেওটুকুন ঘাট মোড়, দুর্গাপুর পুলিশ মোড়, কাচারী মোড়, দুর্গাপুর নাজিরপুর মোড়, দুর্গাপুর বিরিশিরি মহাসড়কের পাশে, হাইস্কুল মোড়, মধ্যবাজার, পানমহাল সংলগ্ন, কেরনখলা বাজার, চন্ডিঘর বাজার, মাকড়াইল বাজার, নাজিপুর বাজার, আত্রাখালী ব্রিজের দুইধারে, তিন আলীর বাজার।

সরকারী বিধিমতে বিস্ফোরক আইন ১৮৮৪ এর এলপি গ্যাস রুলস ২০০৪ এর ৬৯ ধারায় ২নং বিধিতে লাইসেন্স ব্যতিত কোন এলপি গ্যাস মজুদ করা যাবে না। আবার একই বিধিতে ৭১নং ধারায় আগুন নিভানোর জন্য যথেষ্ঠ পরিমান অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রপাতি রাখতে হবে। এই আইনের অমান্যকারীদের ২বছর, অনধিক ৫বছরের জেল এবং ৫০হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬মাসের অতিরিক্ত কারাদন্ডের বিধান রয়েছে। সে মোতাবেক ৮টি গ্যাস ভর্তি সিল্ডিার মজুদের ক্ষেত্রে লাইসেন্স এর প্রয়োজন নেই। 
আইনের এই ফাঁক ফোঁকরকে কাজে লাগিয়ে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ীরা চালিয়ে যাচ্ছে বেচা-কেনা। গ্যাস সিলিন্ডারের মেয়াদ উর্ত্তীণের কোন তারিখ লিখা নেই। কেউ জানেও না মেয়াদ শেষ হবে কবে। এইভাবে রাস্তার পাশে দোকানের বারান্দায় মহাসড়কের পাশে আবার কখনো খোলা আকাশের নিচে ঝাল-মুড়ির দোকানের মত প্রশাসনের নাকের ডগার উপর দিয়ে ব্যবসা চালাচ্ছেন। এইগুলি দেখার জন্য যেন কেউ নেই। এখানে রয়েছে ২শ’ত ব্যবসাচালিত মোটরসাইকেল তাছাড়া ব্যক্তি মালিক,সরকারী প্রতিষ্ঠান, পুলিশ, এনজিও, কর্মকর্তাদের প্রায় ২শ’তের মত মোটরসাইকেল, আরো বাহির থেকে আসা বহু মোটরসাইকেল তো রয়েছেই।
 এ উপজেলার প্রায় সর্বত্র ৫শ’ত পেট্রোল ডিজেলও এলপি গ্যাসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রযেছে। আবার লাইসেন্স আছে এমন গ্যাস দাহ্য পদার্থ ব্যবসায়ী তাঁদেরও ব্যবসায়ী স্বার্থ হাসিলের জন্যে ট্রাকে বা লড়িতে করে সাজিয়ে ভাঙ্গাচুরা,আধাপাকা,কাঁচা রাস্তা দিয়ে দ্রুততম দোকানে পৌছিয়ে দিচ্ছে। সিলিন্ডার মজুদ করতে হলে অধিকতর নিরাপত্তা, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক।এর কোন বালাই নেই এখানে। যেকোন সময়ে সিলিন্ডার নামানোর সময় মারাত্বক বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।  
অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাঠ পর্যায়ের এসব দোকানের কোন ফায়ার সার্ভিস তো দুরের কথা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র তাঁদের নেই। আবার রাস্তার উপর সারি সারি করে ডিজেল ভর্তি ড্রাম রাখা অধিক ঝঁকিপূর্ণ কিনা ? জানতে চাইলে তাঁরা বলেন আমাদের এত বুঝার দরকার নাই। লাইসেন্স দেখাতে বললে তাঁদের কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেন নাই। ব্যবসায়ী ফজর আলী, ফজলু মিয়া, জহর আলী, ইমাম,বাপ্পী সাহা,সেলিম,রহমান,সুমন সাহা, ফরহাদ, লিটন মিয়াসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান আমরা অতি অল্প সময়ে গ্রাহকদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। জেলা শহর থেকে এসব মাল ক্রয় করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাছাড়া সরকারী ভাবে এই উপজেলায় পেট্রোল ডিজেল ও এ্যলপি গ্যাস বিক্রির বিষয়ে নিয়মাবলী সম্পর্কে কোন অবগত করা হয়নি ব্যাবসায়ীদের। 
এব্যাপারে দর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন এখানে আমি নতুন যোগদান করেছি। লাইসেন্স বিহীন ব্যবসায়ীদের বিরেুদ্ধে তদন্তকরে অতিসত্বর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

SHARE THIS

0 Comments:

মতামতের জন্য ধন্যবাদ।