শিল্প মন্ত্রণালয়ের জুন ২০২০ পর্যন্ত এডিপি’র বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১১ শ্রাবণ (২৬ জুলাই)

২০১৯-২০ অর্থবছরে শিল্প মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতাধীন প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়নের হার (আর্থিক) ৯৯ দশমিক ১৭ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। আজ অনলাইনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির প্রকল্পসমূহের জুন ২০২০ পর্যন্ত অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়। 
শিল্প সচিব কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ও বিশেষ অতিথি ছিলেন কামাল আহমেদ মজুমদার। 
সভায় জানানো হয়, সারের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে ৩৪টি বাফার গোডাউন নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। সভায় প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্পে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ এবং দেশীয় অভিজ্ঞ একাধিক স্টিল অবকাঠামো নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাফার গোডাউন নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 
সভায় আরো জানানো হয, গোপালগঞ্জ বিসিক শিল্প নগরী সম্প্রসারণ প্রকল্পের কাজ সমাপ্তি পর্যায়ে রয়েছে এবং সাভারে অবস্থিত চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপির অটোমেশনের কাজ এবং এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ শীঘ্রই সমাপ্ত হবে। লেদার ওযার্কিং গ্রুপ (এলডব্লিউজি)-এর মানদন্ড অর্জনে উদ্যোগসমূহের সঠিক বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রকল্পসমূহের বিগত বছরের অব্যায়িত অর্থ ফেরত এবং প্রকল্পে নতুন পদ সৃজন সংক্রান্ত প্রস্তাব প্রেরণের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
  শিল্পমন্ত্রী বলেন, করোনা-সহ অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। সবাইকে আরো কর্মতৎপর এবং উদ্যমী হতে হবে। যেসব খাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে। একই সাথে প্রকল্প মূল্যায়ন সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করে শিল্প মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালকদের নির্দেশনা দেন।
  শিল্প প্রতিমন্ত্রী দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন নতুন শিল্প কারখানা স্থাপনে প্রকল্প গ্রহণের তাগাদা দেন। তিনি বলেন, কর্ণফুলী পেপার মিল-সহ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পুরানো শিল্প কারখানাসমূহের আধুনিকায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। তিনি প্রকল্পসমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের তাগাদা জানিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়িত না হলে জনগণের অর্থের অপচয় হয়।
  সভায় শিল্প মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও প্রকল্প পরিচালকগণ উপস্থিত ছিলেন।

SHARE THIS

0 Comments:

মতামতের জন্য ধন্যবাদ।