শিক্ষানীতি ২০১০ সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে

+

ঢাকা, ১১ ভাদ্র (২৬ আগস্ট)

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, প্রায় ১০ বছর আগে  শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। তাই এখন শিক্ষানীতিকে  সংশোধন, পরিমার্জন ও  সংযোজন করা প্রয়োজন। এ জন্য সরকার শিক্ষানীতি সংশোধন  করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী আজ পরিকল্পনা কমিশনের আয়োজনে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এডুকেশন টেকনোলজি হ্যান্ড এগ্রিকালচার ট্রান্সফর্মেশন শীর্ষক এক অনলাইন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। 

মন্ত্রী বলেন,  ইতোমধ্যে দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে শিক্ষার আওতায় আনা হয়েছে।  এখন প্রয়োজন শিক্ষার গুণগত মান অর্জন। শিক্ষার সকল পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। একটি সমন্বিত শিক্ষা আইন প্রণয়ন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সরকার সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং আর্টস এন্ড ম্যাথস  (ঝঞঊঅগ) এর দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকার সততা, নৈতিকতা, দেশপ্রেম, কমিউনিকেশন স্কিল, টিম বিল্ডিং, ক্রিটিক্যাল থিংকিং প্রবলেম সলভিং-সহ বিভিন্ন সফট স্কিলের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

অনলাইন শিক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে আমাদের কর্মক্ষেত্র এত পরিবর্তন হবে যে বর্তমানে অর্জিত জ্ঞান হয়তো ভবিষ্যতে আর প্রয়োজন হবে না। সেক্ষেত্রে কর্মজীবীদের পক্ষে  আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে  ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে যাতে কোনো কর্মজীবী যে কোনো সময় যে কোনো পরিবর্তনের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। সে যেন  অনলাইনের মাধ্যমে শিখতে পারে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় সে সুযোগ রাখতে হবে।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সচিব ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. শামসুল আলম। ড. শামসুল আলমের সঞ্চালনায় সভায় যুক্ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান  প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ,  বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য-সহ  দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদবৃন্দ।


SHARE THIS

0 Comments:

মতামতের জন্য ধন্যবাদ।