Showing posts with label bd news. Show all posts
Showing posts with label bd news. Show all posts
বরগুনা অামতলী উপজেলার উত্তার সোনাখালী ব্রিজতো নয় যেন মরণ ফাঁদ

বরগুনা অামতলী উপজেলার উত্তার সোনাখালী ব্রিজতো নয় যেন মরণ ফাঁদ

This is not like dridging the death trap

বরগুনা (অামতলী)  প্রতিনিধি - এইচ. এম. রাসেল

      বরগুনা অামতলী  উপজেলার অাঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের উত্তার সোনাখালী কলেজ বাজার, উত্তার সোনাখালী উচ্চ  মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ সংলগ্ন যাতায়াতের একমাত্র সেতুটি এখন মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে।প্রতিদিন প্রায় শত শত স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ ওই ব্রিজটি দিয়ে যাতায়াত করে। কিন্তু ২০১৬ সালে সেতুটি মাজখান দিয়ে নদীতে ভেঙ্গে পরে। দুই বছর হলেও সেতুটির কোন সংস্কার হয়নী।
     তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই ব্রিজটি দিয়ে চলাচল করছে স্থানীয় প্রাইমারি, মাধ্যমিক ও কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। ভাঙনের কারণে মাঝে মধ্যেই প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। স্থানীয় এলাকাবাসি মিলিত হয়ে নিজ অর্থায়নে ব্রিজটির ওই ভাঙ্গা স্থানে কাঠ দিয়ে কোনো রকমে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী।

     এ বিষয়ে ভুক্তভোগী স্থানীয়রা বলেন, আমাদের এই ব্রিজটি আনুমানিক ২০০৭ সালে তৈরি হয়েছে।এই ব্রিজ দিয়ে প্রতিনিয়ত  উত্তার সোনাখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তার সোনাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এন্ড কলেজের ছাত্রছাত্রীসহ হাজারো মানুষ প্রতিদিন চলাচল করে। বহুদিন যাবৎ আমাদের এই ব্রিজটি ভাঙ্গা। যার কারণে আমাদের ছেলেমেয়েদের স্কুল কলেজে যাতায়াতে খুব অসুবিধা হচ্ছে, তাতেও কর্তৃপক্ষের এ বিষয়ে কোনো নজরে আসেনি।
      তাই বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগে যত দ্রুত সম্ভব ব্রিজটি সংস্কার অথবা পুনঃনির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর।

কচুয়ায় বিদ্যুতের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ

কচুয়ায় বিদ্যুতের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ

Embezzle million of money in the name of electricity

চাঁদপুর (কচুয়া) প্রতিনিধি

        কচুয়ায় বিদ্যুতের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে একটি সিন্ডিকেট। উপজেলার পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামে ২৩৯টি পরিবারের মাঝে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নাম করে প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে  সিন্ডিকেটটি। চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কচুয়া জোনাল অফিসের আওতায় ১৫১ নং লটের অধীনে শংকরপুর গ্রামে পল্লী বিদ্যুতের নিজস্ব খরচে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে পৌনে ৩ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সংযোগের লাইন নির্মানের কাজ চলছে। রবিবার ( ৬ মে) সরেজমিনে গেলে শংকরপুর গ্রামের বিদ্যুৎ প্রত্যাশী গ্রাহকরা সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যুৎ দিবার কথা বলে  শংকরপুর  গ্রামের খলিলুর রহমানের  ছেলে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সামসুল হক আকাশ, নব্য আওয়ামী লীগে যোগদানকারী একই গ্রামের ময়নাল ফকিরের ছেলে মোস্তাফা ও শাহজাহানের ছেলে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মোঃ শাহআলমসহ একটি সিন্ডিকেট শংকরপুর গ্রামে বিদ্যুৎ দিবার নাম করে পরিবার প্রতি ৬ হাজার টাকা উত্তোলন করে। তিন সদস্যের এ সিন্ডিকেটটি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বিশাল অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। বিপুল অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পরও বিদ্যুৎ না পাওয়ায় স্থানীয়রা এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও অচিরেই বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য যথাযথ কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।        তিন সদস্যের সিন্ডিকেটের সামুল হক, শাহআলম ও মোস্তফা  বলেন বিদ্যুৎ আনতে টাকার দরকার বলেই আমরা টাকা উঠিয়েছি এবং বিদ্যুতের লাইন নির্মানের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হাজীগঞ্জ উপজেলার রনি এন্টারপ্রাইজের সাথে বিদ্যুতের জন্য  টাকা লেনদেন করেছি। 
          রনি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সাইফুন আক্তার জানান, শংকরপুর গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ দিবার নাম করে একটি সিন্ডিকেট বিশাল অংকের টাকা নিয়েছে বলে আমিও শুনেছি, তবে তাদের সাথে রনি এন্টারপ্রাইজের টাকা পয়সার লেনদেন হয়নি, কাজ করার সময় তারা আমার লেবারদেরকে আপ্যায়ন করিয়েছে। 
          বিদ্যুতের নামে টাকা আত্মসাতের বিষয়ে চাঁদপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি কচুয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এই স্লোগানে শুধু মাত্র সংযোগ ও সদস্য ফি ৪ শত ৫০ টাকার বিনিময়ে শতভাগ বিদ্যুতায়নের লক্ষে আমরা বিদ্যুৎ প্রদান করছি। আমার অফিসের কেউ অতিরিক্ত টাকা আদায়ের সাথে জড়িত নয়। 

আবু সায়েম মৃধা

মাগুরা পল্লি ক্লিনিকে সন্তান বদলের অভিযোগ

মাগুরা পল্লি ক্লিনিকে সন্তান বদলের অভিযোগ

transferred baby

মাগুরা প্রতিনিধি

         মাগুরা শহরের পলি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নবজাতক বদলের অভিযোগ উঠেছে। অর্থের বিনিময়ে ছেলে সন্তান পাল্টে এক প্রসুতিকে মেয়ে ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে ক্লিনিক মালিক ও সিজারকারী চিকিৎসক ডাক্তার মুক্তাদির রহমান ক্যামারের সামনে কোন সদুত্তর না দিয়ে উল্টো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন।
        মাগুরা সদরের নরসিনহাটি গ্রামের সাগর হোসেন অভিযোগ করেন, সন্তান প্রসবের জন্য শুক্রবার তিনি তার স্ত্রীকে শহরের পলি ক্লিনিকে নিয়ে আসেন। এর আগে তিনি তার স্ত্রীকে তিনবার আল্ট্রানোগ্রামের মাধ্যমে নিশ্চিত হন তাদের ছেলে সন্তান হবে। সিজারের পর ওটি থেকে আয়া তাদের ছেলে সন্তান হয়েছে বলে মিষ্টি খাওয়ার জন্য বকশিশের  টাকাও নেন। কিন্তু পরে তাদের একটি মেয়ে সন্তান ধরিয়ে দেওয়া হয়। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ডাক্তার মুক্তাদির রহমান একই সময় ওটিতে তিনটি সিজার করেন। যার মধ্যে দুইটি পুত্র ও একটি কন্যা সন্তান জন্ম হয়। ডাক্তার ও আয়ারা অর্থের বিনিময়ে তাদের পুত্র সন্তান পাল্টিয়ে অন্যর কন্যা সন্তান ধরিয়ে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে তিনি মাগুরা সদর থানায় মৌখিক অভিযোগ করেছেন। আজ মামলা করবেন বলে জানান।
       সদর থানার ওসি তদন্ত মাহবুবু আল হাসান জানান, মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। মামলা হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করবেন।

বিপ্লব হোসেন

কুড়িগ্রামে চলছে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ বাণিজ্য!

কুড়িগ্রামে চলছে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগ বাণিজ্য!

rural electricity connection trade


কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা 

 "প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ"

            প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রকল্পকে পুঁজি করে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে চলছে বিদ্যুৎ সংযোগ বাণিজ্য। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে দালাল চক্র। টাকা না দেয়ায় বাড়ির উপর দিয়ে বিদ্যুতের লাইন গেলেও সংযোগ পায়নি অনেকে।
          জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সারাদেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগের অংশ হিসেবে আগামী জুন মাসের মধ্যে রাজারহাটের শতভাগ গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছানোর কাজ করছে কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে রাজারহাট উপজেলায় ২৯ হাজার ১৭৫টি পরিবারের মাঝে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। অভিযোগ উঠেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ার লক্ষ্যে ডিজাইন তৈরীর সময় থেকেই উপজেলার হরিশ্বর তালুক ও তালুক আষাঢ়ু গ্রাম সহ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে দালাল চক্র বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহনে আগ্রহীদের কাছ থেকে টাকা আদায় শুরু করে। এসময় দালাল চক্রের দাবীকৃত টাকা ছাড়া বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হবে না, এমনকি টাকা না দিলে ডিজাইনে তাদের বাড়ির পাশ দিয়েও বিদ্যুতের লাইন যাবে না বলে জানানো হলে সাধারন মানুষ বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য গরুছাগল, ধান চাউল বিক্রি করে এবং অনেকে জমি বন্ধক রেখে দালালদের দাবীকৃত টাকা প্রদান করেন। উপজেলার হরিশ্বর তালুক গ্রামে ৫৭৩টি পরিবারের মাঝে পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহন করেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। সরেজমিনে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণকারীরা জানান, উপজেলা হরিশ্বর তালুক গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল এর নেতৃত্বে লতিফ মোল্লা, আজগর মোল্লা ও সাত্তার মুন্সি নামের ৪ দালাল পল্লী বিদ্যুতের এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সাথে যোগসাজসের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে আসছেন। টাকা দিতে দেরী হওয়ার কারনে হরিশ্বর তালুক (কদম তলা) গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগে বিলম্ব হয়েছে বলে জানান গ্রামের নুরজামাল, আবু তালেব, আনোয়ার, খলিল সহ অনেকে। একই গ্রামের সাহেব আলী, মতিয়ার রহমান সহ নতুন সংযোগী গ্রহণকারী অনেকের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, সংযোগের জন্য প্রত্যেকে ৪ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত ওই দালাল চক্রকে দিতে হয়েছে। একই গ্রামের দক্ষিন পাড়ার মনি, রহিম, মমিন, নুর ইসলাম, খলিল পূর্ব পাড়ার মিজানুর, মজনু, সিরাজুল, জামাল, রহমান, নজরুলসহ বিভিন্ন ব্যাক্তির সাথে কথা হলে দালাল চক্রের লিডার শহীদুলের নেতৃত্বে ওই চক্রটিকে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ৪ থেকে ১১ হাজার টাকা পর্যন্ত দেয়ার অভিযোগ করেন।
             এ দিকে উপজেলার তালুক আষাঢ়ু (বেদারজাল) গ্রামের নুরু মিয়া অভিযোগ করেন, পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ প্রদানের কাজে নিয়োজিত ব্যাক্তিদের সাথে দালাল চক্রের যোগসাজস রয়েছে। দালাল রাঙ্গা মিয়া অন্যদের মতো আমার কাছেও বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ৫হাজার টাকা দাবী করেছিল কিন্তু আমি টাকা দিতে পারায় না আমার বাড়ির উপর দিয়ে বিদ্যুতের লাইন গেলেও আমাকে সংযোগ দেয়া হয়নি। একই অভিযোগ ওই গ্রামের সাহের আলী ও আখের আলীসহ অনেকের। তালুক আষাঢ়ু গ্রামের রাজ্জাক, মকবুল, ছফর, মাইদুল, আয়নাল সহ শতাধিক ব্যাক্তি জানান, পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ প্রদানকারী কতিপয় কর্মকর্তা কর্মচারীর সাথে দালাল রাঙ্গা মিয়ার যোসাজস থাকায় বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য বাধ্য হয়ে সর্বনিন্ম ৪ থেকে উপরে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। বিদ্যুতের পোল থেকে তাদের বাড়িতে তার লাগানো হলেও আরো টাকার জন্য সংযোগ দিতে টালবাহনা চলছে বলে তারা অভিযোগ করেন। এই গ্রামে ২০৫টি পরিবার নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ পাবেন বলে জানা যায়। অপরদিকে উপজেলার ঘড়িয়ালডাঁঙ্গা ইউনিয়নের খিতাবখাঁ গ্রামের সাইফুল নামের এক দালালের নেতৃত্বে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের নামে নিরীহ মানুষদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই ভাবে উপজেলার চাকিরপশার, ঘড়িয়ালডাঁঙ্গা, বিদ্যানন্দ, উমর মজিদ সহ প্রতি ইউনিয়নে দালাল চক্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগের নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে হরিশ্বর তালুক গ্রামের দালাল চক্রের হোতা শহীদুল জানান, আমি ওই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য। খুঁটি লাগানোর সময় বিভিন্ন সমস্যা হয়েছিল আমি সমাধান করেছি। খুঁটি বসানো কাজের শ্রমিকদের খরচা বাবদ স্থানীয় লোকজন কিছু টাকা উত্তোলন করেছে। তালুক আষাঢ়ু গ্রামের দালাল রাঙ্গা মিয়া সংযোগ প্রদানের নামে টাকা গ্রহনের অভিযোগ অস্বীকার করেন।
            কুড়িগ্রাম-লালমনিরহাট পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের জিএম শ্বদেশ কুমার ঘোষ জানান, দালালদের কাছে টাকা দেয়ার কোন যুক্তিকতা নেই। আমরা মাইকিং করেছি, প্রচার করেছি, রশিদ ছাড়া টাকা না দেয়ার জন্য। তবে আমাদের লোকজন যদি জড়িত থাকে আমাকে জানালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মোঃ রফিকুল ইসলাম


বাল্য বিবাহ,ইভটিজিং প্রতিরোধে চাঁদপুরের কচুয়ায় আলোচনা সভা সম্পন্ন

বাল্য বিবাহ,ইভটিজিং প্রতিরোধে চাঁদপুরের কচুয়ায় আলোচনা সভা সম্পন্ন

disussion meeting for child marrige, chef


চাঁদপুর (কচুয়া) প্রতিনিধি


শিক্ষক, অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীরা সচেতন হলেই ইভটিজিং ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা সম্ভব 
--উপজেলা নির্বাহী অফিসার নীলিমা আজরোজ

           শিক্ষক, অভিভাবক ও ছাত্রছাত্রীরা সচেতন হলেই ইভটিজিং ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা সম্ভব  কচুয়ার ৪নং পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদ আয়োজিত মেঘদাইর ফাজিল মাদ্রাসা মিলনায়তনে মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী বিষয়ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন  কচুয়া উপজেলা নির্বাহি অফিসার নীলিমা আফরোজ। শনিবার বেলা ১১টায় ৪নং পূর্ব সহদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদ আয়োজিত মেঘদাইর তাহেরীয়া ফাজিল মাদ্রাসা মিলনায়তনে মাদক, বাল্যবিবাহ  ইভটিজিং, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় ইউপি সদস্য শফিউল্লাহর সঞ্চালনায় ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আশিকুর রহমান, মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মোস্তফা কামাল।
          অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এ কে এম গোলাম মোস্তফা, মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক সাইফুল্যাহ, মাদ্রাসা গভর্নিং বোর্ডের সাবেক সহ-সভাপতি আশ্রাফ মুন্সী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন মাস্টার, ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান মনু, ইকবাল হোসেন, জহিরুল ইসলাম, ইউপি কাউন্সিলর লাকি বেগম এবং নাজমা বেগম, এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের উপ সম্পাদক ফারুক প্রধান, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক সিদ্দিক মজুমদার জয়, রুস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের সাবেক সাধারন সম্পাদক ইমাম হোসেন ইমন মাদ্রাসা শিক্ষকবৃন্দ, মাদ্রাসা গভর্নিং বোর্ডির সদস্যবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক ছাত্র ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

সাইফুল ইসলাম (সুমন)