Showing posts with label bd newspaper. Show all posts
Showing posts with label bd newspaper. Show all posts
মাদকের এক অজানা তথ্য, আসুন! নিজে জানি অন্যকে সচেতন করি

মাদকের এক অজানা তথ্য, আসুন! নিজে জানি অন্যকে সচেতন করি

Know Details about Drugs


লক্ষীপুর (রায়পুর) থেকে - মহিউদ্দিন আহমেদ

মাদক আসলে  কি ?
    শাব্দিক অর্থে মাদক বলতে বুঝায় ড্রাগ, হেরোয়িন, প্যাথেডিন, আফিম, হাসিস ইত্যাদি। মাদক এমন  একটি ভেষজ দ্রব্য যা ব্যবহারে বা প্রয়োগে মানবদেহে মস্তিস্কজাত সংজ্ঞাবহ সংবেদন হ্রাসপায় এবং বেদনাবোধ কমায় বা বন্ধ করেমাদক দ্রব্যকে সহজভাবে বলা যায় যা গ্রহণে মানুষের স্বাভাবিক শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়ে এবং যে দ্রব্য আসক্তি সৃষ্টি করে, তাই মাদকদ্রব্য।
মাদকাসক্তি বলতে কি বুঝায় ? 
     মাদকাসক্তি হলো মানুষের এমন একটি অবস্থা যা ব্যবহারে মানুষ অভ্যস্থ হয়ে পড়ে এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর মাদক গ্রহণের অভ্যাস্থ হওয়াই মাদকাসক্ত। মাদকাসক্ত আক্রান্ত ব্যক্তিকে হটাৎ মাদক গ্রহণ করতে না দিলে আত্মহত্যার মতো ঘটনা ঘটে যেতে পারে। মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে সাধারণত ১৫ থেকে ৩৫ বছরের বয়সের মানুষ যার হার ৭০ ভাগ। অন্যদিকে মাদক গ্রহণের গড় বয়স ২২ বছর।
মাদকাসক্তির কারণ কি ? 
    মাদকাসক্তি এমনই এক  সমাজিক ব্যাধি তাই এর উপযোক্ত কারণ বলা খুব কঠিন। তবে সর্বসাপেক্ষে বলতে গেলে তিনটি কারণ বলা যেতে পারে। হতাশা, কৌতূহল এবং কুসঙ্গ।  ক) হতাশাঃ হতাশাগ্রস্ত ব্যক্তিদের মাঝেই মাদক গ্রহনের প্রবণতা বেশী লক্ষ করা যায় । কোন করণে মানুষের স্বপ্ন ভঙ্গ হলে মানুষ হতাশাগ্রস্থ হয় আর তখনই মাদক গ্রহণে উৎসাহী হয়ে উঠে। সন্তানদের প্রতি বাবা-মায়ের উদাসীনতাও সন্তানকে হতাশাগ্রস্ত করে ফেলে।
নিজের কর্মক্ষেত্রে উন্নতি করতে না পারা, শিক্ষাক্ষেত্রে কাঙ্খিত ফলাফল করতে না পারা এবং আপনজনদের কাছ থেকে কোনো সাপোর্ট না পাওয়া এ সবকিছুই একটি মানুষকে হতাশার চাদরে ঢেকে ফেলতে সক্ষম। খ) কৌতূহল নিবারণ ও প্রবল আগ্রহেঃ মানুষ সৃষ্টিশীল তাই তাদের মনের ভেতরে কৌতুহল থাকে সবসময়। মাদকে এমন কি আছে, কি করতে পারে ইত্যাদি তাদের মনকে আরো অনেক কৌতুহূলী করে তুলে। 
     নতুনকে জানার ইচ্ছে এবং আগ্রহতা থেকে মাদকের সাথে পরিচয় ঘটায় এবং এভাবেই মাদক গ্রহণে অভ্যস্থ করে তুলে।  গ) কুসঙ্গ : " সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ ". কুসঙ্গ মানুষকে বিপদগামী করে। তারা মানুষকে সেই কালো অন্ধকার দুনিয়ার দিকে হাতছানি দিয়ে। সেই দুনিয়ার বিষয়ে এমন সুন্দর করে মার্কেটিং করবে যে তরুণ সমাজের মনের ভিতর সেই দুনিয়ার বিষয়ে একটা অন্য রকম আখাংকা তৈরী হয়ে যায়। তারা পাগল হয়ে সেই দুনিয়ায় পা রাখে।  যে কোন পরিবার এবং সমাজের জন্য মাদকসক্ত ব্যক্তি হুমকিস্বরুপ। পরিবাবারের সদস্যদের সাথে কথায় কথায় মনোমালিন্য ছাড়াও অতিরিক্ত টাকা গ্রহণের জন্য বিভিন্ন উপায় বের করে ।
       টাকা না পেলে ছিনতাই, ধর্ষন, খুন সহ নানাবিধি অপরাধ সংগঠিত করে । যা সমাজে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি সহ শৃঙ্খলা নষ্ট করতে যথেষ্ট ভুমিকা রাখে। মাদকাসক্তি প্রতিকারে পরিবারের করণীয় :" প্যারেন্টিং " খুব বড় একটা ব্যাপার। সন্তান জন্ম দিলেই মা বাবা হওয়া যায় না। তার জন্য একটা উপযোক্ত পরিবেশ, সমাজ তৈরী করতে হয়। সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করতে হবে। তবেই মা বাবার সফলতা আসে। পারিবারিক পরিবেশ হতে হবে ধূমপানমুক্ত। সন্তানের গতিবিধী এবং বন্ধুবান্ধবের খোঁজ খবর রাখতে হবে। সন্তান যে জায়গাগুলোতে সব সময় যাওয়া আসা করে সেই জায়গাতে খোঁজ খবর নিয়ে রাখতে হবে। তার সাথে আচরণ করতে হবে বন্ধুর মতো যেন বাহিরে কোনো সমস্যা হলে সে নিজের থেকেই পরিবারের সাথে শেয়ার করে।
      সন্তানদের সামাজিক, মানসিক, লেখাপড়া সংক্রান্ত অর্থনৈতিক চাহিদাগুলো যথাসম্ভব মেটাতে হবে, তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত দিয়ে তাদের প্রত্যাশা বাড়তে দেয়া যাবে না। মাদকাসক্তি প্রতিকারে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় করণীয় : সমাজের সর্বস্থরের মানুষ এই মরণ নেশা মাদকের প্রতি আক্রান্ত হচ্ছে। আমাদের সমাজকে রক্ষায় আমাদেরকেই নিজেদের থেকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যেখানে থাকিনা কেন মাদককে না বলি সবসময়, মুক্ত ভাবে আলোচনাই পারে মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে। জনমত সৃষ্টির মাধ্যমে এই ভয়াবহ সমস্যাটি মোকাবিলা করতে হবে। প্রশাসনকে মাদকের উৎপাদন এবং এর অবৈধ ব্যবসা নির্মূল করতে হবে  স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচিতে মাদকাসক্তি ক্ষতিকারক দিকগুলো সম্পর্কে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
        মাদকবিরোধী প্রচারণার মাধ্যমে সবাইকে এর কুফল সম্পর্কে জানাতে হবে। মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে সাংগঠনিক দক্ষতা, ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি ও কর্মসূচির ধারাবাহিকতার নিশ্চয়তা থাকতে হবে। মাদকাসক্তির নির্বিষকরণ প্রক্রিয়ায় শরীরের সঙ্গে মাদকের জৈব-রাসায়নিক নির্ভরশীলতা দূর হয়ে শরীর তার নিজস্ব গতি-প্রকৃতিতে ফিরে এলেও মাদক গ্রহণের মূল প্রভাবক (ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব, চরিত্র, মনস্তাত্ত্বিক প্রবণতা, আবেগ, অনুভূতি, চিন্তাধারা ইত্যাদি ক্ষেত্রে অসঙ্গতি) দূর করার জন্য নিরাময় কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা , কাউন্সেলিং ও থেরাপি প্রয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। পরিশেষে মনে রাখতে হবে, নিকোটিন ও অ্যালকোহলও মাদক হিসেবে স্বীকৃত। এই মাদকও ক্ষতি করে দেহ-মন, ধ্বংস করে পারিবারিক সম্প্রীতি, সন্তানদের ঠেলে দেয় মাদক গ্রহণের ঝুঁকিতে।
       সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ধূমপান ছাড়তে হবে, ছাড়তে হবে মদ্যপানও।
এম,এস আলম
যুগ্ন সাধারন সম্পাদক
সবুজ বাংলাদেশ
মংলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বসত ভিটা দখলের অভিযোগ

মংলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বসত ভিটা দখলের অভিযোগ

The Court barred the occuption of the besiege


মংলা প্রতিনিধি- মাসুদ রানা

       মংলাায় প্রতিনিয়ত ঘটছে জমি ও বসতভিটা জবর দখলের হিড়িক। মানছেনা আদালতের নিষেধাজ্ঞাও। তেমনি আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মংলার শেহারাবুনিয়া এলাকায় একটি পরিবারের বসত ভিটা দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মংলা পোর্ট পৌরসভার জমির দাম কয়েকগুন বেড়ে যাওয়ার ফলেই এখন যারতার জমি গায়ের জোড়ে দখল করে নিচ্ছে এখানকার প্রভারশালী ব্যাক্তিরা। গত বৃহস্পতিবার দিন দুপুরে একদল দুর্বৃত্তরা শেলাবুনিয়া এলাকায় এ দখল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এ ছাড়া বসত ভিটা হারানো পরিবারটিকে অব্যাহত হুমকি ধামকি দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয় পুলিশের রহস্যজনক ভুমিকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
         ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি জানায়, মংলা পোর্ট পৌরসভার প্রান কেন্দ্র শেহালাবুনিয়া এলাকার দুলালী সরদার’র এর ওয়ারেশ সুত্রে ও ফুপু বিভারানী হালদারেরও ওযারেশ সুত্রে প্রাপ্ত এ জমি। গত কয়েক বছর যাবৎ বৃদ্ধা দাদি শশিমূখী সরদার পক্ষাঘাত রোগে আক্রান্ত হয়ে শষ্যাশায়ী হয়ে পড়লে দুলালী সরদার তাকে ভরন পোষন ও দেখাশুনা করতে থাকে। সে স্বুভাদে ২০১৬ সালের ২৬ জুলাই কবলা দলিলমুলে ৩শতক জমিসহ এ দু’জনের শেহালাবুনিয়া মৌজায় মোট ১৩ শতক জমি তিনি জন্মলগ্ন থেকে বোগ দখল করে আসছে। ২০১৬ সালে বৃদ্ধা শশিমূখী দুলালী সরদারকে দলীল দেয়ার পর থেকেই স্থানীয় একটি চক্রের যোগসাযোসে এলাকার পনুয়েল সরদার, আভামেরী নাথ, যাচিন্তা সরদার,আকতার ওরফে বাবুল ও হামিদা বেগম দীর্ঘদিন ওই জমি নিজেদের দাবি করে জবর দখলের পাঁয়তারায় লিপ্ত হয়। এ অবস্থায় স্বামী পরিত্যাক্তা ওই মহিলা ও পুত্র রেভীসহ পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে আদালতের শরনাপন্ন হয়। পরে ২০১৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিট্রেট আদালতে ওই জমিতে অনুপ্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা (১৪৪ ধারা) জারির আবেদন করলে আদালত সেখানে এ সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা (১৪৪ ধারা) জারির একটি আদেশ স্থানীয় থানা পুলিশকে দেয়া হয়। কিন্ত তাতেও বিরোধী পক্ষ থেমে থাকেননী। এর পর চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল বাগেরহাট আদালতে ওই জমিতে অনুপ্রবেশের ওপর চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার জন্য আবেদন করে। আদালত উভয়পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ প্রদান করেন। 
       কিন্তু আদালতের এ নোটিশ ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গত বৃহস্পতিবার দিন দুপুরে দূস্কৃতকারী চক্রের সদস্যরা অসহায় পরিবারটিকে ঘরের মধ্যে বন্ধি করে বসত ভিটা দখল করে নিয়েছে। এছাড়াও অসহায় মহিলা ও তার ছেলেকে মেরে রক্তাক্ত জখম করে সন্ত্রাসীরা। পরে ঘর থেকে বের হয়ে থানায় বিষয়টি জানানো হয়, কিন্ত পুলিশ কোন ব্যাবস্থা নেয়নী বলেও জানায় তিনি। এ বিষয় মংলা থানার এস আই গোলাম মোস্তফা জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং শান্তি শৃংখলা রক্ষার চেস্টা করছেন। ওই জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার কথা স্বীকার করে তিনি আরও বলেন, আমরা শেহলাবুনিয়া এলাকায় গিয়ে বিবাদী পক্ষকে জমি দখল বা ঘর তৈরী করতে নিশেধ করা হয়েছে তার পরেও কেউ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুক যুদ্ধে এক দস্যু নিহত, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুক যুদ্ধে এক দস্যু নিহত, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

One gunman killed, arms recovered

মংলা প্রতিনিধি, মাসুদ রানা

          মংলায় সুন্দরবনে র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুক যুদ্ধে এক দস্যু নিহত হয়েছে। গতকাল  মঙ্গলবার সকাল ৭ টায় বনের চাঁদপাই রেঞ্জের ডাকাতিয়া খালে এ বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত দস্যু ‘গরীবের বন্ধু’ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য বলে জানায় র‌্যাব । তবে তার নাম ও পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি তারা। র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-৮ এর ডিএডি সামছুর রহমান জানায়, সুন্দরবনে বন ও জলদস্যু দমনের র‌্যাব সর্বক্ষনিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। তেমনি সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের ডাকাতিয়া খালের আড়াই থেকে তিনশ গজ দক্ষিন দিকে এক দল বন দস্যু কাকড়া সংগ্রকারী জেলেদের জিম্মি করে মুক্তিপন আদায় করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান শুরু করে। র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা বনের ডাকাতিয়া খালের দক্ষিন দিকে পৌছালে র‌্যাব’র উপস্থিতি বুঝতে পারে বন দস্যুরা। বনের ভিতর থেকে ওই দস্যু গ্রুপটি র‌্যাবকে লক্ষ করে তাদের উপর গুলি চালায়। র‌্যাব সদস্যরাও তাদের অতœরক্ষার্থে পাল্টা আক্রমনে গুলী চালায়। 
       এক পর্যায় র‌্যাব সদস্যদের গুলীর সামনে টিকতে না পেরে পরে দস্যুরা গহীন বনে পালিয়ে যায়। র‌্যাব সদস্যরা কিনারে উঠে চারপাশ কটোন করে ঘটনাস্থলে তল্লাশী চালিয়ে এক দস্যুকে গুলীবিদ্ধ অবস্থায় দেখতে পায়। এছাড়াও  ওখান থেকে ছড়ানো ছিটানো অবস্থায় দস্যুদের ব্যবহৃত একটি বিদেশী বন্দুক, ২টি ওয়ান সুটারগান, ২টি দেশীয় রামদা,২৬ রাউন্ড তাজা গুলী ও দস্যুদের ব্যাবহৃত মালামাল উদ্ধার করে র‌্যাব। গুলীবিদ্ধ ওই বন দস্যুকে উদ্ধার করে দ্রুত মংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত্যু ঘোষনা করে। এদিন দুপুরে অস্ত্র-গুলি সহ নিহত দস্যুর লাশ মংলা থানায় হস্তান্তর করে র‌্যাব সদস্যরা। র‌্যাব-৮ এর ডি এ ডি (পুলিশ পরিদর্শক) এ কে এম আবু হোসেন শাহরিয়া বাদী হয়ে মংলা থানায় পৃথক দুইটি মামলা করেছে। মংলা থানায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই গৌতম হালদার জানায়, গতকাল দুপুরে র‌্যাব-৮ এর সদস্যরা অস্ত্রসহ এক বনদস্যুর লাশ মংলা থানায় হস্তান্তর করে। থানা পুলিশ লাশ ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপর দিকে নিহত বন দস্যুর কোন নাম পরিচয় বা কোন অভিবাবক না পাওয়ায় বাগেরহাট আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে লাশ দাফন করা হয়েছে।

রবীন্দ্রনাথ এলাকার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে যে অবদান রেখেছেন তা অবিস্মরণীয়

রবীন্দ্রনাথ এলাকার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে যে অবদান রেখেছেন তা অবিস্মরণীয়


 নওগাঁ প্রতিনিধি

রবীন্দ্রনাথ এলাকার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে যে অবদান রেখেছেন তা অবিস্মরণীয়
ডেপুটি স্পীকার ফজলেরাব্বি

      জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার এড. ফজলে রাব্বি মিয়া বলেছেন, বিশ^কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেটাকে বাস্তবে রুপদানের চেষ্টা করেছে। আর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেটাকে বাস্তবে রুপদান করেছেন। তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ এলাকার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে যে অবদান রেখেছেন তা অবিস্মরণীয়। স্থানীয়দের পতিসরে একটি কৃষি বিশ^বিদ্যালয় স্থাপনের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথ যেহেতু কৃষিপ্রেমি ছিলেন, নওগাঁ যেহেতু সারা দেশের শস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত সেহেতু পতিসরে একটি কৃষি বিশ^বিদ্যালয় স্থাপন যৌক্তিক। তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হোন এবং শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করুন। তাহলে পতিসরে কৃষি বিশ^বিদ্যালয় স্থাপন হবে ইনশাআল্লাহ। গতকাল মঙ্গলবার কবিগুরুর স্মৃতি বিজড়িত আত্রাইয়ের পতিসর কাচারিবাড়ির দেবন্দ্র মঞ্চে বিশ^কিব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭ তম জন্মোৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। 
        নওগাঁ জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী ইমাজ উদ্দিন প্রামানিক। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের হুইপ শহিদুজ্জামান সরকার এমপি, মো. ইসরাফিল আলম এমপি, ছলিম উদ্দিন তরফদার এমপি, আবুল কালাম এমপি, নওগাঁ সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ (অব:) শরিপুল ইসলাম খান, নওগাঁ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসেন, আত্রাই উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ এবাদুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোখলেছুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নৃপেন্দ্রনাথ দত্ত দুলাল, সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল, এম মতিউর রহমান মামুন প্রমুখ। উল্লেখ্য কবির জন্মোৎসবকে ঘিরে গোটা পতিসর এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ। কবিভক্তদের পদচারণায় কাচারিবাড়ি চত্বর হয়ে উঠে মুখোরিত। তাঁর ১৫৭ তম জন্মোৎসব অনুষ্ঠান দুইভাগে ভাগ করা হয়। প্রথম পর্বে স্মৃতি চরণ ও আলোচনা সভা এবং দ্বিতীয় পর্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

বিকাশ চন্দ্র প্রাং


বগুড়ার শিবগঞ্জে ৪ জনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

বগুড়ার শিবগঞ্জে ৪ জনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার

recover 4 kinded body

বগুড়া প্রতিনিধি

সোমবার ভোর রাতে বগুড়ার শিবগঞ্জের আটমুল ইউনিয়নের ডাবুইর গ্রামের পাশে বাদলা দিঘী মাঠের ধান ক্ষেতে দুর্বৃত্ত কর্তৃক গলা কাটা ৪ জন ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এলাকাবাসী সকালে লাশ গুলো দেখতে পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশকে জানাইলে থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)শাহিদ মাহমুদ খান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ গুলি উদ্ধার করেন।
পুলিশের ধারনা, দুর্বৃত্তরা ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা করে ফেলে চলে গেছে। নিহতদের ২জনের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন, আটমুল ইউনিয়নের কাঠগাড়া চক পাড়া গ্রামের আছির উদ্দিনের ছেলে ভাইয়ের পুকুর হাটে পান বিক্রেতা শাহাবুল ইসলাম(৩৩) ও রং মিস্ত্রি একই গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে জাকারিয়া(৩০), জাকারিয়ার বাবার বাড়ি কিচক ধুলাঝাড়া গ্রামে, সে তার মায়ের কাছে থাকেন বলে গ্রামবাসি জানিয়েছে।
নিহত ৪ ব্যক্তিকে শিবগঞ্জ থানা পুলিশের তত্বাবধানে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তাৎক্ষনিক সংবাদ পেয়ে বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আশরাফ আলী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সাংবাদিকদের সাথে এক প্রেস ব্রিফিং এর মধ্যমে জানান , এই নৃসংশ হত্যাকরীদের গ্রেফতারের জোর প্রস্তুতি চলছে,তিনি সবার কাছে সহযোগীতা চেয়েছেন।

জান্নাতুল নাঈম